1. mostafa0192@gmail.com : বার্তা বিভাগ :
  2. arsawponbd6@gmail.com : আরিফুর রহমান স্বপন : আরিফুর রহমান স্বপন
  3. developer7178@outlook.com : developer71 :
  4. azizulpress2020@gmail.com : এম আজিজুল ইসলাম : এম আজিজুল ইসলাম
  5. imranhpress@gmail.com : মো: ইমরান হোসেন : মো: ইমরান হোসেন
  6. jahid3512@gmail.com : মোঃ জাহিদ হাসান : মোঃ জাহিদ হাসান
  7. khanithost@gmail.com : Md Mostafa Khan : Md Mostafa Khan
  8. arswaponbd6@gmail.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
রায়পুরা মেঘনায় বিলিন হচ্ছে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী কবরস্থান ও এতিম খানা মাদরাসা - Jonaki TV
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন

রায়পুরা মেঘনায় বিলিন হচ্ছে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী কবরস্থান ও এতিম খানা মাদরাসা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১২ জুলাই, ২০২২

মো. মোস্তফা খান, নিজস্ব প্রতিবেদক:

নরসিংদীর রায়পুরার চরাঞ্চল শ্রীনগরে ফের মেঘনার ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী কবরস্থান, এতিমখানা, মাদ্রাসা ও ঈদগাহ মাঠ।

সোমবার ১০ জুলাই আনুমানিক রাত ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এই ভাঙন চলে। এতে হুমকির সম্মুুখীন হয়ে পড়েছে কয়েকশত বসতবাড়ি।

স্থানীয়রা জানান, রোববার রাত ১০টার দিকে মেঘনার তীরঘেষা শ্রীনগরের ফকিরের চর গ্রামে নদী ভাঙন শুরু হয়। এতে গ্রামে শত বছরের ঐতিহ্যবাহি কবরস্থান, ঈদগাহ মাঠ, এতিমখানা ও মাদ্রাসা মাঠের গাছপালা সহ বেশিরভাগ অংশ নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এসময় গ্রামজুড়ে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। প্রতি বছরই নদী ভাঙনে ফকিরের চর গ্রামের মানচিত্র পরিবর্তন হয়ে যাওয়ায় গ্রামটির অস্তিত্ব¡ টিকে থাকা নিয়ে সংশয়ে স্থানীয়রা। গত দেড় যুগে নদী ভাঙনে গ্রামটির হাজারো পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়ে। অপরিকল্পিতভাবে মেঘনায় বালু উত্তোলনের কারণে প্রতি বছর শতশত ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
আজ সোমবার দুপুুরে সরেজমিনে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গ্রামে দীর্ঘ ৩০ বছর যাবত দফায় দফায় নদী ভাঙ্গনে স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান, হাটবাজারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং কয়েকশত বিঘা ফসলি জমি বসতভিটা মেঘনা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। দ্রæত বেড়িবাঁধ নির্মাণ না করা হলে মানচিত্র থেকে এ মাদরাসা ও কবরস্থানসহ গ্রামের নাম মুছে যাবে।

এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিকট জোর দাবি জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় জমি হারা লোকজন চরম হতাশায় অনত্র জীবন যাপন করছেন। নদী পারের বাকি পরিবার গুলো আতংকে দিন পার করছেন। সরকারি কোনো পদক্ষেপ না পেয়ে হতাশার কথা জানিয়েছেন ভাঙন কবলিত ভুক্তভোগীরা।

নদী ভাঙ্গনের কথা শুনে দুপুুরে সরেজমিন পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আজগর হোসেন, রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো আজিজুর রহমান।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন শ্রীনগর ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াজ মোর্র্শেদ খান রাসেল, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল মোতালিব, ইউনিয়ন ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক মো মামুন মিয়া প্রমূখ।
ইউপি সদস্য মো জালাল উদ্দীন বলেন, মেঘনা নদীর ভাঙ্গনের করাল গ্রাস থেকে বসতবাড়ি, ফসলি জমি রক্ষা করতে ৩০ বছর যাবত বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য এলাকাবাসী দাবি করে আসছে তা এখনো বাস্তবায়ন হচ্ছে না। গ্রামটি রক্ষার জন্য দ্রæত বাঁধ চাই।

মাদরাসার মোহতামিম কাদির মোল্লা বলেন, ২০০০সালে গ্রামবাসীর সহায়তায় কবরস্থানের পাশে প্রতিষ্ঠিত মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া এতিমখানা মাদরাসাটি প্রায় তিন ভাগের দুই ভাগ জমি খেলার মাঠ, ঘর, অজুখানার, টয়লেট, গাছপালা ইতি পূর্বে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। আর কত দিন থাকতে পারবো কে জানে। দ্রæত বাঁধ নির্মাণ হলে অবশিষ্ট অংশটুকু রক্ষা করা সম্ভব।

শ্রীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজ মোর্র্শেদ খান রাসেল বলেন, এখানকার নদী ভাঙ্গনের তিব্রতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছি। দ্রæত সমস্যার সমাধান করা না হলে পুরো গ্রামটি বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আজগর বলেন, খবর পেয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। এ বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মরতারা পরিদর্শনের আশ্বাস পেয়েছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2019 Jonaki Media and Communication Limited
Design By Khan IT Host