রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০১ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
শিরোনাম :
লাকসামে অবৈধ বেড়িবাঁধ অপসারণ করলেন এমপি মো. আবুল কালাম উদ্যোক্তা উন্নয়নে দিয়ামনি ই কমিউনিকেশনের উদ্যোগ রায়পুরায় পূর্ব শত্রুতার জেরে রাতের আধারে কৃষকের ৪০ শতক জমির লাউ গাছ কর্তন স্বপ্ন ছুঁতে নাচের পথ পেরিয়ে অভিনয়ে মুসকানের যাত্রা প্রবাসে মানবাধিকার আন্দোলনে মিনহাজ-মারুফের নেতৃত্ব বৈশাখে এলো তাদের ‘পান্তা ইলিশ /প্রকাশ পেল তানহা খানের ‘পান্তা ইলিশ’ রায়পুরায় মেলায় জুয়া খেলতে গিয়ে ৪ জন ধৃত, ৩ জনের কারাদণ্ড মিস টিন ইন্টারন্যাশনাল ২০২৪-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব সোনিয়া রায়ের লাকসামে ৫টি ছাগলসহ দুই চোরকে আটক করেছে পুলিশ লাকসামে রাষ্ট্রীয় মর্যদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ লুৎফুর রহমানের দাফন সম্পন্ন
মধ্যরাতে হোটেল থেকে ৪ এমপিকে উদ্ধার
Update : মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৯, ৮:১০ পূর্বাহ্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ-  ভারতের মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন নিয়ে যে নাটক চলছে তা বলিউড সিনেমাকেও ছাড়িয়ে গেছে। শনিবার (২৪ নভেম্বর) রাতে জন্ম হলো আরেক ঘটনার। সেখানকার একটি পাঁচ তারকা হোটেল থেকে এনসিপির চার বিধায়ককে (এমপি) উদ্ধার করেছে দলীয় নেতাকর্মীরা।

সোমবার দেশটির আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিধায়ক নরহরি ঝিরওয়াল, দৌলত দারোদা, অনিল পাতিল ও নিতিন পাওয়ারকে মহারাষ্ট্রে গুরুগ্রামে একটি পাঁচতারা হোটেলে আটকে রাখা হয়েছিল। ক্ষমতাসীন দল বিজেপির নেতাকর্মীরাই তাদের আটকে রেখেছিল বলে অভিযোগ করেছে এনপিসি। পরে দলের কর্মীরা খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করতে গেলে বিজেপি কর্মী এবং পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়

উদ্ধার হওয়ার পর মুম্বাইয়ে ফিরে দুলাল দারোদা ও অনিল পাতিল বলেন, ‌‘সবাই ভাবছিলেন আমরা পালিয়ে গেছি। কিন্তু আমরা এখনো এনসিপিতে আছি। আমরা কোথাও যাইনি। আমরা শরদ পওয়ারের সঙ্গেই আছি।’

অভিযানের বর্ণনা দিয়ে উদ্ধারকারীরা জানান, স্থানীয় সূত্রে তারা বিধায়কদের আটকে রাখার কথা জানতে পারেন। ওই হোটেলে রাত দেড়টার দিকে অভিযান চালান। হোটেলের ৫ হাজার ১১৭ নম্বর রুমে ছিলেন বিধায়করা। কিন্তু এক বিজেপি নেতার মুখোমুখি হয়ে যাওয়ায় তিনি চিনে ফেলেন। তিনি পুলিশকে বলেন, দুদলের কর্মীদের বাইরে বের করে দিতে। এর পরেই শুরু হয় ধস্তাধস্তি।

ধীরাজ বলেন, ‘চার বিধায়ক আমাদের বলেছেন, তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে হোটেলে আটকে রাখা হয়েছিল। তারা পালানোর ছক কষছিলেন। শরদ পওয়ার বিজেপিকে সমর্থন করছেন এবং পওয়ারের নির্দেশেই তাদের হোটেলে থাকতে বলা হয়েছে বলে ভুল বোঝানো হয়েছিল। কিন্তু তারা সংবাদমাধ্যমে সত্যিটা জানার পর দলের সঙ্গে যোগ দিতে চেয়েছিলেন।’

উদ্ধারের পর রাত ২টার দিকে গুরুগ্রাম থেকে মুম্বাইয়ে উড়িয়ে আনা হয় তিন বিধায়ককে। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তিন বিধায়ক মুম্বাই পৌঁছান এবং যে হোটেলে এনসিপি বিধায়করা রয়েছেন, সেই রেনেসাঁ হোটেলে তাদের সঙ্গে যোগ দেন। পরে আলাদা বিমানে মুম্বাই আসেন নরহরি ঝিরওয়াল।

এনসিপির অভিযোগ, শনিবার কয়েকজন বিদ্রোহী বিধায়ককে একটি বিশেষ বিমানে দিল্লি উড়িয়ে নিয়ে যায় বিজেপি। যাত্রীদের তালিকা থেকেও সেটা স্পষ্ট হয়েছে।

হোটেলে অভিযানের কথা জানিয়ে শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত বলেন, ‘বিজেপির ষড়যন্ত্র নিয়ে এই বিধায়করা যা জানিয়েছেন, তা দূর্ভাগ্যজনক।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ফেসবুকে আমরা