শিরোনাম :
প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে লটারির মাধ্যমে স্কুলে ভর্তি: শিক্ষামন্ত্রী
Update : বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০, ১:০১ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
করোনার ঝুঁকি থেকে সতর্কতা অবলম্বন করতে দেশের বিভিন্ন স্কুলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জানুয়ারির ১০ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যেই এই প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এ বছর ক্যাচমেন্ট এরিয়া (বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা) ৪০ শতাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ করা হবে। ক্লাস্টারভিত্তিক ভর্তির ক্ষেত্রে লটারিতে পাঁচটি স্কুল নির্বাচন করা যাবে।
ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহাবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক গোলাম ফারুক ও বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানরা যুক্ত ছিলেন।
বর্তমানে দেশে ৬৮৩টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে শুধু রাজধানীতে আছে ৪২টি। বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় আছে ১৯ হাজার ৪২১টি। এর মধ্যে ১৬ হাজার ৭৭৫টি এমপিওভুক্ত, বাকি দুই হাজার ৬৪৬টি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোমিনুর রশীদ আমিন বলেন, নতুন শিক্ষাবর্ষে বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শূন্য আসনের বিপরীতে লটারির মাধ্যমে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। করোনার ঝুঁকি থেকে সতর্কতা অবলম্বন করতে এ পদ্ধতিকে বেছে নেয়া হয়েছে। চলতি সপ্তাহে ভর্তি নীতিমালা জারি করা হতে পারে।
প্রতি বছর প্রথম শ্রেণির ভর্তিতে লটারি এবং দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা হয়। তবে কোভিড-১৯ জনিত পরিস্থিতির কারণে ২০২১ সালে অনলাইনের মাধ্যমে সব ক্লাসেই শিক্ষার্থী ভর্তির ফরম বিক্রি করা হবে; এরপর তা যাচাই-বাছাই করে লটারির জন্য নির্বাচন করবে স্কুল কর্তৃপক্ষ। একাধিক ধাপে লটারি করে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এর ফলাফল নিজ নিজ বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, শিক্ষক ও কয়েকজন অভিভাবক নিয়ে গঠিত ভর্তি কমিটি এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
সন্তানের ভর্তি লটারিতে সব অভিভাবকের উপস্থিত হওয়ার সুযোগ না থাকলেও তাদের ভেতরের পাঁচ থেকে সাতজনকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে। তাদের ভর্তিচ্ছু সব অভিভাবকের প্রতিনিধি হিসেবে ভর্তি কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ফেসবুকে আমরা