সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৭ অপরাহ্ন [gtranslate]
শিরোনাম :
সেপ্টেম্বরের মধ্যে পাটকল শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করা হবে
Update : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০, ৪:৪০ অপরাহ্ণ

ডেস্ক রির্পোট

পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকারী ফসল।বাংলার গর্বের ইতিহাস ‘সোনালী আঁশ’। এদেশে পাট উৎপাদনের ইতিহাস তিনশ বছরের। দেশের পাটকলগুলোর উৎপাদন বন্ধের চুড়ান্ত সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সংস্কার ও আধুনিকায়নের জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো আপাতত বন্ধ করা হচ্ছে বলে জানানো হয়। কোন পাটকল বিক্রি করা হবে না, অংশীদারি ভিত্তিতে এগুলো আবারও চালু করা হবে। বন্ধ হয়ে যাওয়া পাটকলগুলোর শ্রমিকদের পাওনা সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে পরিশোধ করা হবে।

শুক্রবার রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীর নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী ।

সংবাদ সম্মেলনে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের কোন পাটকল বিক্রি করা হবে না, অংশীদারি ভিত্তিতে আবারো পাটকল চালু করা হবে’।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাটকল শ্রমিকদের দায়িত্ব নিয়েছেন জানিয়ে পাটমন্ত্রী বলেন, ‘পাটকল শ্রমিকদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন ২০১৫ সালের মজুরি কমিশন অনুযায়ী সব ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করা হবে শ্রমিকদের। তাদের পুরো টাকা যেন খরচ না হয়ে যায় সে জন্যই তাদের অর্ধেক টাকা সঞ্চয়পত্র হিসেবে রাখা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘পাটকল শ্রমিকদের চলতি বছরের জুন মাসের মজুরি আগামী সপ্তাহে তাদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হবে। নোটিশ মেয়াদের অর্থাৎ জুলাই-আগস্টের ৬০ দিনের মজুরিও উভয় মাসে যথারীতি পরিশোধ করা হবে।’

পাটমন্ত্রী বলেন, ‘পাটকল শ্রমিকদের ঠকানো হবে না। তাদের দুই ধাপে টাকা দেয়া হবে। অর্ধেক দেয়া হবে ক্যাশে, বাকি অর্ধেক দেয়া হবে সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে।’

‘পিএফ, গ্র্যাচুইটি ও গোল্ডেন হ্যান্ডশেক সুবিধাসহ অবশিষ্ট সকল পাওনার ৫০ শতাংশ স্ব স্ব ব্যাংক হিসাবে এবং বাকি ৫০ শতাংশ স্ব স্ব নামে সঞ্চয়পত্র আকারে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে পরিশোধ করা হবে। সব ক্ষেত্রেই মজুরি কমিশন-২০১৫ এর ভিত্তিতেই পাওনা হিসাব করা হবে।’

এ সময় তিনি অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের জন্য ব্যাংক হিসাব নম্বর অবিলম্বে বিজেএমসিকে জানাতেও অনুরোধ জানান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে শ্রম প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে যখন আমি পাটকলের বিষয়ে জানাই তখন উনি কেঁদেছেন। এটা আমার মনে হয়েছে। আমি তাকে সব জানিয়েছি। উনি জানিয়েছেন শ্রমিকদের সব পাওনা সময় মতো দিয়ে দেওয়া হবে।’

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘চলতি মাসেই জুন মাসের বেতন ও আগামী তিন দিনের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকদের মোট পাওনা জানা যাবে। বিশ্বব্যাপী পাটের চাহিদা বাড়ছে। একটি পাট গাছের প্রতিটি অংশ কাজে লাগে। আমরা পাটকল বন্ধ করছি এটা ঠিক না। এর আধুনিকায়ন হবে।’

এর আগে, বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকদের শতভাগ পাওনা পরিশোধের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণভবনে এক সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউস।

প্রায় ২৫ হাজার পাটকল শ্রমিক অবসরকালীন সুবিধাসহ প্রায় ৫ হাজার কোটি পাবেন জানিয়ে আহমদ কায়কাউস বলেন, আগামী ৩ দিনের মধ্যে শ্রমিকদের তালিকা তৈরির নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

জোনাকী টেলিভিশন/এসএইচআর/৩ জুলাই ২০২০ইং

ডেস্ক রির্পোট

পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকারী ফসল।বাংলার গর্বের ইতিহাস ‘সোনালী আঁশ’। এদেশে পাট উৎপাদনের ইতিহাস তিনশ বছরের। দেশের পাটকলগুলোর উৎপাদন বন্ধের চুড়ান্ত সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সংস্কার ও আধুনিকায়নের জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো আপাতত বন্ধ করা হচ্ছে বলে জানানো হয়। কোন পাটকল বিক্রি করা হবে না, অংশীদারি ভিত্তিতে এগুলো আবারও চালু করা হবে। বন্ধ হয়ে যাওয়া পাটকলগুলোর শ্রমিকদের পাওনা সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে পরিশোধ করা হবে।

শুক্রবার রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীর নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী ।

সংবাদ সম্মেলনে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের কোন পাটকল বিক্রি করা হবে না, অংশীদারি ভিত্তিতে আবারো পাটকল চালু করা হবে’।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাটকল শ্রমিকদের দায়িত্ব নিয়েছেন জানিয়ে পাটমন্ত্রী বলেন, ‘পাটকল শ্রমিকদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন ২০১৫ সালের মজুরি কমিশন অনুযায়ী সব ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করা হবে শ্রমিকদের। তাদের পুরো টাকা যেন খরচ না হয়ে যায় সে জন্যই তাদের অর্ধেক টাকা সঞ্চয়পত্র হিসেবে রাখা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘পাটকল শ্রমিকদের চলতি বছরের জুন মাসের মজুরি আগামী সপ্তাহে তাদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হবে। নোটিশ মেয়াদের অর্থাৎ জুলাই-আগস্টের ৬০ দিনের মজুরিও উভয় মাসে যথারীতি পরিশোধ করা হবে।’

পাটমন্ত্রী বলেন, ‘পাটকল শ্রমিকদের ঠকানো হবে না। তাদের দুই ধাপে টাকা দেয়া হবে। অর্ধেক দেয়া হবে ক্যাশে, বাকি অর্ধেক দেয়া হবে সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে।’

‘পিএফ, গ্র্যাচুইটি ও গোল্ডেন হ্যান্ডশেক সুবিধাসহ অবশিষ্ট সকল পাওনার ৫০ শতাংশ স্ব স্ব ব্যাংক হিসাবে এবং বাকি ৫০ শতাংশ স্ব স্ব নামে সঞ্চয়পত্র আকারে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে পরিশোধ করা হবে। সব ক্ষেত্রেই মজুরি কমিশন-২০১৫ এর ভিত্তিতেই পাওনা হিসাব করা হবে।’

এ সময় তিনি অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের জন্য ব্যাংক হিসাব নম্বর অবিলম্বে বিজেএমসিকে জানাতেও অনুরোধ জানান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে শ্রম প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে যখন আমি পাটকলের বিষয়ে জানাই তখন উনি কেঁদেছেন। এটা আমার মনে হয়েছে। আমি তাকে সব জানিয়েছি। উনি জানিয়েছেন শ্রমিকদের সব পাওনা সময় মতো দিয়ে দেওয়া হবে।’

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘চলতি মাসেই জুন মাসের বেতন ও আগামী তিন দিনের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকদের মোট পাওনা জানা যাবে। বিশ্বব্যাপী পাটের চাহিদা বাড়ছে। একটি পাট গাছের প্রতিটি অংশ কাজে লাগে। আমরা পাটকল বন্ধ করছি এটা ঠিক না। এর আধুনিকায়ন হবে।’

এর আগে, বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকদের শতভাগ পাওনা পরিশোধের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণভবনে এক সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউস।

প্রায় ২৫ হাজার পাটকল শ্রমিক অবসরকালীন সুবিধাসহ প্রায় ৫ হাজার কোটি পাবেন জানিয়ে আহমদ কায়কাউস বলেন, আগামী ৩ দিনের মধ্যে শ্রমিকদের তালিকা তৈরির নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

জোনাকী টেলিভিশন/এসএইচআর/৩ জুলাই ২০২০ইং

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ফেসবুকে আমরা